সর্বশেষ

Sunday, October 12, 2025

Online SIM Purchase

Online SIM Purchase

OTP Sender – Premium

🔒 OTP Sender

Monday, April 22, 2024

Tuesday, December 31, 2019

আমার সম্পর্কে.....Rajvir🖤🥀

আমার সম্পর্কে.....Rajvir🖤🥀

আমার সম্পর্কে

আমি একজন অতি সাধারন ও নরম মনের এমনকি একজন স্বার্থপর মানুষনিজের পরিচয় দেওয়ার মত  তেমন কিছু নেইতবুও যেটুকু না বললেই নয় তাই বলি শুনুন

আমার প্রকৃত নাম ❤️আরেফিন রাজ🖤  নিকট লোকেরা ডাকে রাজবীর,  আরফিন,  রাজ😁 নামেএই নামেই স্বাছন্দ্য বোধ করি এবং স্যার আর ম্যাডাম রা ডাকে আরফিন নামে

এছাড়া  গতিহীন নামে আরেক টা নাম আমি নিজেই রাখছি যার মানে হচ্ছে কোন কাজে কোন গতি নাইসব কাজে অলসতা তাই নিজের নাম নিজেই রাখছি গতিহীন……নিমপাতা😛

নিজের ভিতরে অনেক দোষ ত্রুটি আছে ওটা জানি কিন্তু ঐ দোষ ত্রুটি শোধরাতে আর পারি না। সব সময় কাজের চেয়ে অকাজই করতে বেশি পছন্দ করি। অলসতাদৈর্য্যহীনস্বার্থপরঅস্থির ও উদাসীন প্রকৃতির এক মানুষনিজের প্রতি নিজের বিশ্বাস নেই সব সময় সিধান্তহীনতায় ভোগা একজনআর এই ভাবেই আমাকে প্রতিদিন নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমার দিন অতিবাহিত করতে হয় । যে কোন বিষয় প্রচন্ড সিধান্তহীনতায় ভোগা আমার একটা চরম অভ্যস হয়ে গেছে । আর কোন উপায় না পেয়ে সিধান্ত নেবার দায়ভার পড়ে সৃষ্টি কর্তার উপর ।

পড়াশুনা করছি অর্থনীতি নিয়ে যদিও আমি এটা ভাল বুঝি না। পরীক্ষার কিছু দিন আগ থেকে পড়াশুনা করি শুধু পাশ করার জন্যখুবই আতংকে থাকি গনিত কে সেই ছোট বেলা থেকেএখনও আমার পিছু চাড়ে না। বর্তমানে প্রচলিত নিয়মের পড়াশুনা বাদ দিয়ে আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড এ চাকরি করি🙂  বর্তমানে নিজের একটা ওয়েবসাইট  দাঁড় করার জন্য সর্বদা ব্যস্ত থাকার ভান করি। তাই নিজের সব চিন্তা ভাবনা এই ওয়েবসাইট নিয়ে। ইচ্ছে করলে যোগ দিতে পারেন আমার  ফেসবুক পেইজ 🖤আরেফিন রাজ❤️। 

কম্পিউটার,  ইন্টারনেট,  ভারচুয়াল, ওয়েবসাইট / এপ্সস / প্রোগ্রামিং / এসব নিয়ে  নাড়া-ছাড়া শুরু করি ২০১৬ সালের প্রথম দিকে তখনঅথচ কিছুই বুজতাম না আস্তে আস্তে এর রহস্য ভেদ করে চলছি জানি না শেষ কবে হবে।

ইন্টারনেট / ভারচুয়াল / ওয়েবসাইট / এপ্পস / প্রোগ্রামিং /  আস্তে আস্তে খুবিই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তাই নিয়মিত বিভিন্ন নতুন নতুন কিছু করার ট্রাই করি😊 ভালই লাগে এসব  আর প্রোগ্রামিং  করতে।  তাই অবিরত ভাবে শিখছি নতুন নতুন বিষয়। যার কোন শেষ নাইতাই মাঝে মাঝে বলি জানার কোন শেষ নাই……জানার চেষ্টা বৃথা তাই…”

পড়াশুনা তে কোন কালেই ভাল ছিলাম না তবে নতুন বিষয় জানার আগ্রহ সব সময় থাকত।

আমি যতই খারাপ হই কেন ভাল কাজ করার ইচ্ছা সব সময় থাকত তাই এমন কিছু করার ইচ্ছা আছে যার সুফল আমি না থাকলে যেন অন্যরা ভোগ করতে পারে।

স্কুল থেকে কলেজ পর্যন্ত কাটিয়েছি দেশের বাড়ি কুমিল্লা, তারপর   গ্রামে আসা তাই প্রথমে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছিল অন্য সবার মত আমারও। নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খেতেতবে এখন আর ও গুলা কোন ব্যপার ই না।

সব সময় আড্ডা মারতে ও হাসতে ভালো লাগেঘুরে বেড়াতে ও খারাপ লাগে না ইতিমধ্যে বাংলাদেশের আলোচিত স্থান গুলো প্রায়ই দেখা হয়ে গেছে । হয়ত সামনে পুরা বাংলাদেশ এমনকি পুরা পৃথিবী না হোক আংশিক দেখার ইচ্ছা আছে ইন্‌সআল্লাহ্‌। 

Monday, December 16, 2019

 "COPYRIGHT DISCLAIMER UNDER SECTION 107 OF THE COPYRIGHT ACT 1976, ALLOWANCE IS MADE FOR FAIR USE FOR PURPOSES SUCH AS CRITICISM, COMMENT, NEWS REPORTING, SCHOLARSHIP, AND RESEARCH. FAIR USE IS A USE PERMITTED BY COPYRIGHT STATUTE THAT MIGHT OTHERWISE BE INFRINGING. NON-PROFIT, EDUCATIONAL OR PERSONAL USE TIPS THE BALANCE IN FAVOUR OF FAIR USE."

"COPYRIGHT DISCLAIMER UNDER SECTION 107 OF THE COPYRIGHT ACT 1976, ALLOWANCE IS MADE FOR FAIR USE FOR PURPOSES SUCH AS CRITICISM, COMMENT, NEWS REPORTING, SCHOLARSHIP, AND RESEARCH. FAIR USE IS A USE PERMITTED BY COPYRIGHT STATUTE THAT MIGHT OTHERWISE BE INFRINGING. NON-PROFIT, EDUCATIONAL OR PERSONAL USE TIPS THE BALANCE IN FAVOUR OF FAIR USE."


"COPYRIGHT DISCLAIMER UNDER SECTION 107 OF THE COPYRIGHT ACT 1976, ALLOWANCE IS MADE FOR FAIR USE FOR PURPOSES SUCH AS CRITICISM, COMMENT, NEWS REPORTING, SCHOLARSHIP, AND RESEARCH. FAIR USE IS A USE PERMITTED BY COPYRIGHT STATUTE THAT MIGHT OTHERWISE BE INFRINGING. NON-PROFIT, EDUCATIONAL OR PERSONAL USE TIPS THE BALANCE IN FAVOUR OF FAIR USE."

Saturday, October 10, 2015

বিচারের অপেক্ষায় পরিচালক রাজের দুই মামলা

বিচারের অপেক্ষায় পরিচালক রাজের দুই মামলা

বিচারের অপেক্ষায় পরিচালক রাজের দুই মামলা

জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশিত: ০৮:৪২ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০২২

নজরুল ইসলাম রাজ একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও অভিনেতা। একই সঙ্গে তিনি ‘রাজ মাল্টিমিডিয়ার’কর্ণধার। কিন্তু এসব ছাড়িয়ে এখন তিনি মাদক ও পর্নোগ্রাফি নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে মাদকদ্রব্য ও পর্নোগ্রাফি আইনে পৃথক দুটি মামলা রয়েছে। যেগুলো এখন বিচারের অপেক্ষায়।

এরই মধ্যে দুই মামলার অভিযোগ আমলে নিয়েছেন বিচারিক আদালত। মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। পর্নোগ্রাফি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ঠিক করা আছে। দুই মামলাই দ্রুত শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। অন্যদিকে রাজের আইনজীবী ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

রাজের বিরুদ্ধে করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। গত ৩১ মার্চ আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এরপর ১১ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। কিন্তু এদিন বিচারক না থাকায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। এজন্য আগামী ২৯ নভেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়।

ঢাকার অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মাহফুজুর রহমান চৌধুরী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। দ্রুতই এটি শেষ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

গ্রেফতারের পর আদালতে নেওয়ার সময় নজরুল ইসলাম রাজ

অন্যদিকে পর্নোগ্রাফি আইনের মামলাটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। গত ১১ আগস্ট এ মামলার অভিযোগপত্র আমলে নেন আদালত। আগামী ১০ নভেম্বর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বলেন, পর্নোগ্রাফি মামলাটির অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছেন আদালত। ১০ নভেম্বর মামলার চার্জগঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য রয়েছে। এদিন আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করা হবে। এরপর সাক্ষ্য নিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে মামলাটি।

এদিকে রাজের আইনজীবী মামুন উর রশীদ বলেন, রাজের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় অভিযোগ গঠন হয়েছে। সাক্ষীর জন্য দুটি ধার্য তারিখ পার হয়েছে। কিন্তু বিচারক না থাকায় সাক্ষ্য হয়নি মামলার। অন্যদিকে পর্নোগ্রাফি আইনের মামলাটি অভিযোগ গঠন শুনানির অপেক্ষায়। আশা করছি আমরা ন্যায়বিচার পাবো। কারণ রাজ নির্দোষ।

নায়িকা পরীমনির সঙ্গে রাজ

২০২১ সালের ৪ আগস্ট বিকেলে চিত্রনায়িকা পরীমনির রাজধানীর বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। প্রায় চার ঘণ্টার অভিযান শেষে ওইদিন রাত ৮টার দিকে তাকে আটক করে র‌্যাব সদরদপ্তরে নেওয়া হয়। আটককালে নায়িকার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করার কথা জানায় পুলিশের এ এলিট ফোর্স।

একইদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে নজরুল ইসলাম রাজের বনানীর বাসায়ও অভিযান শুরু করে র‌্যাব। অভিযান শেষে রাজকে রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে আটক করে নিয়ে যান র‌্যাব সদস্যরা। রাজের বাসা থেকেও মাদক ও পর্নোগ্রাফি তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের কথা জানায় র‌্যাব।

এরপর ৫ আগস্ট পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে র‌্যাব বাদী হয়ে একটি মামলা করে। আর রাজের বিরুদ্ধে করা হয় দুটি মামলা। একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে, অন্যটি পর্নোগ্রাফি আইনে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মাদকদ্রব্য মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন। এরপর ২৫ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। একই সময়ে পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

রাজের বাসা থেকেও উদ্ধার করা পর্নোগ্রাফি তৈরির সরঞ্জাম

মাদকদ্রব্য মামলার অভিযোগপত্রে রাজের সহযোগী সবুজ আলীকেও আসামি করা হয়। সবুজ ছিলেন রাজের অফিসের পিয়ন। অন্যদিকে ঝন্টু মিয়ার পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় তাকে প্রাথমিকভাবে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযোগপত্রে সাক্ষী করা হয় ১৮ জনকে।

অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ২০১৪ সাল থেকে নাটক, সিনেমা ও বিজ্ঞাপনে বিনিয়োগ শুরু করেন রাজ। একপর্যায়ে তিনি ‘রাজ মাল্টিমিডিয়া’ নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এসময় বিভিন্ন ক্লাবে গিয়ে মাদকসেবন ও বেচাকেনা করতেন তিনি। মাদক কারবারে তার নিজস্ব দুটি জিপ গাড়ি ব্যবহার করা হতো।

২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর জামিন পান রাজ। একই বছরের ২২ নভেম্বর সবুজের জামিন মেলে। এছাড়া একই বছরের ২৬ অক্টোবর জামিন পান নায়িকা পরীমনি।

রাজের বাসা থেকে মাদক ও সিসা সেবনের সরঞ্জাম জব্দ

রাজের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮-এর ৩৬ (১) এর ২৪ (খ)/১০(ক)/৩৮ ধারায় অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে মাদক কারবারের কাজে সক্রিয়ভাবে সহায়তায় সবুজ আলীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬ (১) এর ২৪ (খ)/১০(ক)/৩৮/৪১ ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।

জেএ/জেডএইচ/এসএইচএস/এএসএম

Friday, October 10, 2014

বাংলাদেশে আরও বেশি জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান বিডা-বেজার

বাংলাদেশে আরও বেশি জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান বিডা-বেজার

বাংলাদেশে আরও বেশি জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান বিডা-বেজার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৮:৫১ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০২২

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। একই সঙ্গে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষও (বেজা) এই আহ্বান জানিয়েছে।

সোমবার (১০ অক্টোবর) বিডা, বেজা ও জাপানি সংস্থা জেট্রো আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানানো হয়। ‘ওয়েলকামিং ইনভেস্টমেন্ট ফ্রম জাপান, লেসনস ফর বাংলাদেশ-ফ্রম দ্য এক্সপেরিয়েন্স ইন ইন্ডিয়া’ নলেজ শেয়ারিং সেশনে এই আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া এবং বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এতে জেট্রোর এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজুয়া নাকাজু সহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেট্রো বাংলাদেশের কার্যক্রম তুলে ধরে অনুষ্ঠানে বলা হয়, জেট্রো ১৯৭৩ সাল থেকে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ করে আসছে। প্রতিবছর এ বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে জেট্রোর মাধ্যমে ৩৩৮টি জাপানি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করছে। এদের মধ্যে ৬৮ শতাংশের অধিক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যাবসা আরও বাড়াতে চায়।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে জেট্রোর নয়াদিল্লির চিফ ডিরেক্টর জেনারেল তাকাসি সুজুকি ভারতীয় অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে অধিক পরিমাণ জাপানি বিনিয়োগের বিষয় তুলে ধরেন। এসময়ে তিনি জাপানি বিনিয়োগের মডেল নিয়ে আলোচনা করেন।

জেট্রোর এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজুয়া নাকাজু বলেন, জাপান বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম বড় অংশীদার। আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। এসময়ে তিনি বিনিয়োগকারীদের আরও আগ্রহী করতে বাংলাদেশের ক্রেডিট রেটিং বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, জাপানি বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থা জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো) ১৯৭৩ সাল থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে আসছে। দিন দিন এই বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজার বড় হওয়ায় এবং উৎপাদন খরচ কম থাকায় বিনিয়োগ আগ্রহের কারণ। অবশ্য এখনো আমাদের দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, দ্রুত এগুলো সমাধান করতে হবে।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধি, সহজে পণ্য খালাসসহ অন্যান্য বিনিয়োগ সেবাগুলো সহজেই দিতে হবে। এর মাধ্যমে দেশে আরও বেশি জাপানি বিনিয়োগ বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জাপানি বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, আমারা ১০০টির মতো ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের ইকনোমিক জোনগুলো বিনিয়োগের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে তৈরি আছে। এ সময় তিনি আরও অধিক পরিমাণে জাপানি বিনিয়োগের আশা প্রকাশ করেন।