Thursday, October 10, 2013

চাঁদপুরে দুই শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ১

চাঁদপুরে দুই শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ১

 

চাঁদপুরে দুই শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ১

জেলা প্রতিনিধি | চাঁদপুর | প্রকাশিত: ০৯:৫৯ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০২২

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে খলিলুর রহমান (৪৯) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (৯ অক্টোবর) থানায় ভুক্তভোগীদের মা বাদী হয়ে পৃথক মামলা করলে ওই রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা যায়, ধর্ষণের শিকার দুই শিশু স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিশুরা বাড়িতেই ছিল। এ সুযোগে খলিলুর গত ১ অক্টোবর তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুকে স্থানীয় কবরস্থানে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর ৭ অক্টোবর একই বাড়ির প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া সাত বছর বয়সী অপর শিশুকে বাড়ির পাশের বাগানের ঝোপে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন।

পরে শিশুদের কাছ থেকে পরিবারের লোকজন ঘটনাটি জানতে পেরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জানান। চেয়ারম্যানের পরামর্শে হাজীগঞ্জ থানায় মামলা করলে পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করে।

বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ বলেন, থানায় দুই নির্যাতিত শিশুর মা মামলা করেছেন। মামলার পরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Wednesday, October 10, 2012

কে যেন আমার প্রোফাইলে লগইন করেছিল, ভয়ানক: মাহি

কে যেন আমার প্রোফাইলে লগইন করেছিল, ভয়ানক: মাহি

 

কে যেন আমার প্রোফাইলে লগইন করেছিল, ভয়ানক: মাহি

বিনোদন প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১১:৪২ পিএম, ০৯ অক্টোবর ২০২২

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির ফেসবুক আইডি থেকে রোববার (৯ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। সেখানে লেখা হয়, ‘আমরা আর একসাথে নাইব!’

তার এমন পোস্টের পর রহস্য ছড়িয়ে পড়ে। জল্পনা শুরু হয়- তাহলে কি আবারও বিয়েবিচ্ছেদ হলো মাহিয়া মাহির? কেউ কেউ আবার জানতে চান, এ নায়িকার আইডি হ্যাক হলো কি না?

বিজ্ঞাপন

ফেসবুকে হঠাৎ এমন পোস্ট দেওয়ার বিষয়ে মুঠোফোনে মাহির সঙ্গে কয়েকদফা যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি কল রিসিভ করেননি।

তবে পোস্ট দেওয়ার আধাঘণ্টা পরই তা ডিলেট করে দেন মাহিয়া মাহি। রাত ১০টার দিকে আবারও ফেসবুকে ওই আইডি থেকে আরেকটি পোস্ট দেন ঢাকাই সিনেমার এ নায়িকা।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন>> আমরা আর একসাথে নেই: মাহিয়া মাহি

সেখানে মাহিয়া মাহি লেখেন, ‘কিছুক্ষণ আগে আমি ছাড়াও আমার প্রোফাইল কে যেন লগইন করেছিল। জানি না কাকে কাকে টেক্সটও পাঠিয়েছে। কি ভয়ানক!’

বিজ্ঞাপন

তার এ পোস্টের নিচে অনেকে তাকে দ্রুত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করার পরামর্শ দিয়েছেন। তার উত্তরও দিয়েছেন মাহি। ভক্তদের পরামর্শের মন্তব্যের জবাবে মাহি লেখেন, ‘অলরেডি পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করেছি। আল্লাহ বাঁচাইছে!’

আলমগীর কবির নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘যতক্ষণ মানুষ সতর্ক, ততক্ষণ মানুষ নিরাপদ।’

Monday, October 10, 2011

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস জীবন সুন্দর তাকে ভালোবাসুন তানজিনা পৃথা | প্রকাশিত: ০৫:৫৮ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০২২

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস জীবন সুন্দর তাকে ভালোবাসুন তানজিনা পৃথা | প্রকাশিত: ০৫:৫৮ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০২২

 

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস

জীবন সুন্দর তাকে ভালোবাসুন

তানজিনা পৃথা প্রকাশিত: ০৫:৫৮ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০২২

আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। বেঁচে থাকার পৃথিবীতে সব থেকে অবহেলিত বিষয় এই মানসিক স্বাস্থ্য। ছুটে চলা জীবনে শারীরিক সুস্থতার শতভাগ মানসিক সুস্বাস্থ্যের ওপর নির্ভরশীল, এটা আমরা কজন জানি? মেনে নেওয়ার নাম জীবন আর ছুটে চলাই জীবনের গতি। এটাকেই বাস্তবতা মনে করে আমরা প্রতিটি দিন শেষ করি।

আমাদের সমাজে দুই শ্রেণির মানুষের বসবাস। একদল শাসিত আরেক দল শোষিত। সমাজতান্ত্রিকতায় সুবিধাভোগী গোষ্ঠী সর্বদাই নিজেদের প্রয়োজনে নিয়ম তৈরি করে তা আরোপ করেছে। সাধারণরা তা অনুসরণ করেছে বিনা বাক্য ব্যয়ে। প্রতিবাদ তো দূরে থাক ভালো নেই এইটুকু বলার সাধ্য কারও নেই।

বিজ্ঞাপন

অথবা আমরা বলতে চাই না কেননা বিপরীত স্রোতে চলা কারও ঠাঁই হয় না তথাকথিত এই সভ্যতায়। অথচ সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয়, রাষ্ট্রীয় এবং ব্যক্তিগত নানা কারণেই আমরা মানসিকভাবে অসুস্থ। সম্পর্কের টানাপোড়েন, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, নির্ভরতার ঘাটতি, প্রত্যাশার খুন এসব কিছুই আপনাকে মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত করে তুলবে অথচ আপনি টেরও পাবেন না।

গত ছয়মাসে মানসিক বিষণ্ণতায় শত শত আত্মহত্যার খবর আমি পড়েছি। শিক্ষাজীবনে বিষণ্ণতায় আত্মহত্যা, কর্মজীবনে সুযোগের অভাবে আত্মহত্যা, সম্পর্কের অবহেলায় একজন মায়ের আত্মহত্যা, অর্থনৈতিক টানাপোড়েনে আত্মহত্যা আরও কত কি।

বিজ্ঞাপন

জাগতিক জীবনের দায়মুক্তি নেওয়া এই মানুষগুলোকে নিয়ে আমাদের ভিন্ন মতবাদ ও বিশদ গবেষণা আছে। যেকোনো ধর্মেই যা মহাপাপ আর সামাজিকতায় তা দুর্বল মানসিকতার পরিচয়। কিন্তু কেন মানুষ জীবন থেকে দায়মুক্তি চায় এটি নিয়ে আমরা কজন ভাবি?

প্রতিদিন অন্তত একটি ইচ্ছে আত্মহত্যা করে পূরণ না হওয়ায়। হাজারো অভিমান আত্মহত্যা করে; মান ভাঙানো ভালোবাসার অভাবে। ভাবনাগুলো আত্মহত্যা করে সামাজিক নিয়মের ফাঁদে পড়ে। আকাশছোঁয়া স্বপ্নের আত্মহত্যা প্রতিদিনের চোখ রাঙানো বাস্তবতায়।

বিজ্ঞাপন

সাজানো মন আত্মহত্যা করে একজন ভুল সঙ্গীর সংস্পর্শে। প্রতি মুহূর্তের আত্মহত্যার কোনো খবর আমরা রাখি না। অথচ এতগুলো আত্মহত্যার ভার সইতে না পেরে শরীরের আত্মহত্যায় চলে নানা রকম বিশ্লেষণ। কেউ কষ্ট পেলে, তাকে বলি, কষ্ট কেন পেতে হবে?

যা হওয়ার তাতো হবেই, তাকে মেনেই নিতে হবে তাহলেই যুদ্ধজয়ীর মুকুট পাওয়া যাবে। মেনে নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। কিন্তু আমার প্রশ্ন মেনে নেওয়া আর মনে নেওয়া কি এক? মনেই যদি না নেওয়া গেলো তবে অভিমানী কষ্টের চিৎকার কি থেমে থাকে?

হয়তো সেই চিৎকার আমরা শুনতে চাই না বলে সেই আওয়াজ আমাদের কাছে পৌঁছাতে পারে না। নীরব চিৎকারে জমে থাকা ক্ষত কতটা যন্ত্রণার সেই হিসাব আমরা করি না। আর তাই ভার বইতে না পেরে, একা যুদ্ধ করে অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

কতটা নিঃসঙ্গ আর হতাশাগ্রস্ত হলে এমন সিদ্ধান্ত আসে, তা হয়তো লিখে বোঝানো সম্ভব নয়। কিন্তু চাইলেই আমরা এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সংখ্যা কমিয়ে আনতে পারি যদি আমরা মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেই। একজন ব্যক্তি মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া মানেই সে পাগল এই ভয়ে আমরা ভালো না থাকাও প্রকাশ করি না।

পাশের মানুষটিকে যত্ন করা, তার না বলা কথাগুলো শুনতে চাওয়া কিংবা তাকে কষ্ট না দেওয়া। সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত অপার সৌন্দর্যের পাশাপাশি মনের সৌন্দর্য মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। একটা অদৃশ্য দায়ভার আমাকে প্রতি মুহূর্তে মনে করিয়ে দেয় আমাদের ব্যর্থতা, আমরা ভালো নেই কৃত্রিমতায় ফরমালিন হাসিতে ভালো থাকার সনদ নিচ্ছি প্রতি মুহূর্তে। এ এক অস্বস্তিকর অসম প্রতিযোগিতা।

জীবনটা যেমন মূল্যবান, স্বপ্নময় অর্জনের ভিত, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেওয়া উপহার। ঠিক তেমনি একবুক কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকা দুর্বিষহ, অর্থহীন। সম্পর্কের মূল্যায়ন, কাজের প্রশংসা, নিজের পছন্দ প্রকাশের স্বাধীনতা জীবনটাকে সহজ করতে পারে। যেখানে শুধু আনন্দ, বাধা পেরিয়ে গুটি গুটি পায়ে স্বপ্ন বোনা আর সেই স্বপ্নে বসবাস।

আসুন মানসিক স্বাস্থ্যের মূল্য দেই সুন্দর পৃথিবীর আয়োজনে। যেখানে ভাবলেশহীন ভাবনাগুলো গুরুত্ব পাবে আগামীর স্বপ্ন বোনায়। সেজন্য সবার অংশগ্রহণে সমন্বিত সামাজিক আন্দোলনে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা জরুরি।

মানসিক স্বাস্থ্যকে জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করে সুন্দর ও সুস্থ আগামীর যাত্রার অঙ্গীকার হোক। প্রতিটি মনের প্রত্যাশা নির্ভার হয়ে ডানা মেলুকমুক্ত আকাশের ঠিকানায় যেখানে দূষণহীন বাতাসে নিঃশ্বাস নেবে প্রতিটি প্রাণ। স্বপ্নের মূল্যায়ন হবে এ প্রত্যাশায় আসুন না সবাই মিলে খানিক স্বস্তি নিয়ে বাঁচি।

লেখক: উন্নয়ন ও গণমাধ্যমকর্মী।

Sunday, October 10, 2010

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনস্টিটিউটে সেমিনার

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনস্টিটিউটে সেমিনার

 

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনস্টিটিউটে সেমিনার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৭:৩১ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০২২

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনস্টিটিউটে একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা সেনানিবাসে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

সেমিনানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী প্রধান ও চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কনসালটেন্ট ফিজিশিয়ান জেনারেল মেজর জেনারেল মো. আজিজুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর জেনারেল অব মেডিক্যাল সার্ভিসেস ও বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সেসের কনসালটেন্ট সার্জন মেজর জেনারেল এ কে এম মুছা খান। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা সিএমএইচের কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ।

এবারের মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য— ‘সবার মানসিক স্বাস্থ্য ও ভালো থাকাটাই হোক বৈশ্বিক অগ্রাধিকার’। প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিএমএইচের অ্যাডভাইজার স্পেশালিস্ট ইন সাইকিয়াট্রি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম কামরুল হাসান। তিনি মানসিক স্বাস্থ্য সেবার অপ্রতুলতার কথা তুলে ধরেন এবং মানসিক স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নের জন্য সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা সম্পর্কে বক্তব্য দেন।

বিজ্ঞাপন

বিশেষ অতিথি তার বক্তব্যে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমাদের সমাজে তথা বিশ্বে বিরাজমান অজ্ঞতা ও অবহেলার বিষয়ে আলোকপাত করেন। সেমিনারের সভাপতি দেশের মানুষের মধ্যে যে কুসংস্কার, ভ্রান্ত-ধারণা ও নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা আছে সে বিষয়ে মূল্যবান বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনস্টিটিউটে সেমিনার

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান সুস্থ-সবল জাতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মানবিক খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান বলেন, সচেতনতার পাশাপাশি সুস্থ্, সুন্দর ও সহজ জীবন-যাপনই পারে মানসিক রোগ-প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারের মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক উন্নত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কার্যকরি ব্যবস্থা নিতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

দিবসটি উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। ঢাকার সিএমএইচ মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারের বৈজ্ঞানিক সহযোগী হিসেবে ছিল জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। অনুষ্ঠানে সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সিএমএইচের অফিসার, জেসিও এবং অন্যান্য পদবির সেনাসদস্য, সেনাবাহিনী পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ এবং বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রয়াসের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।